রিয়াজুল ইসলাম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে হাতিয়া–সংক্রান্ত একটি অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, নোয়াখালীর হাতিয়া নিয়ে যে অভিযোগটি ছড়ানো হয়েছিল, তা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, চিকিৎসক ও প্রত্যক্ষদর্শী বাসিন্দাদের বক্তব্য অনুযায়ী ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। একটি স্পর্শকাতর বিষয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা ২৮ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একই সময়ে তিনি অন্যত্র গিয়ে ঘটনা ঘটিয়েছেন—এমন দাবি বাস্তবতা ও যুক্তির পরিপন্থী। বিশেষ করে হাতিয়া থেকে জেলা সদর হাসপাতালে যাতায়াতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় প্রয়োজন হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই সময়ে দুই স্থানে উপস্থিত থাকার অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে অসঙ্গত ও প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার কর্মসূচি স্থগিত করেছেন, যা ঘটনাটির ভিন্ন মাত্রা ও অন্তর্নিহিত বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে বলে তিনি মনে করেন। ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ‘মব’ তৈরির অপচেষ্টা এবং একটি রাজনৈতিক দলকে হেয় করার চেষ্টা সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে তিনি এনসিপির হান্নান মাসুদ ও আসিফ মাহমুদসহ শিবির, রাজাকার চক্র, জামায়াতপন্থী গোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের প্রতি জাতির কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও মিথ্যা অপপ্রচারের দায় স্বীকারের আহ্বান জানান।
শেষে তিনি লেখেন, “সত্য প্রতিষ্ঠিত হোক। অপপ্রচার বন্ধ হোক। এবং স্পর্শকাতর ইস্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের সংস্কৃতি চিরতরে পরিহার করা হোক।”
You cannot copy content of this page