অমর একুশে বইমেলা আগামী বছর থেকে আন্তর্জাতিকভাবে করা যায় কিনা, তা সংশ্লিষ্টদের ভেবে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলা একাডেমিতে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনীতে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, “মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে আমরা স্বগৌরবে প্রতিবছর একুশ পালন করে থাকি। দিবসটি এখন শুধু আর বাংলাদেশের নয়, অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বেই পালিত হচ্ছে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আজকের এই স্থানটি, অর্থাৎ এই বাংলা একাডেমি।
‘‘বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ অমর একুশে বইমেলা। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলা অমর আন্তর্জাতিক বইমেলা হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ রয়েছে, কিনা সেটি আমি আপনাদের সকলকে ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব।”
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, আন্তর্জাতিক হলে বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি বহু ভাষা ও সংস্কৃতি শেখা-জানা এবং বোঝার দিকে নাগরিকদের আগ্রহ বাড়বে।
“বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে এই সময় মাতৃভাষা ছাড়াও আরো একাধিক ভাষার সঙ্গে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সমৃদ্ধি এবং সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান এবং মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার মনে হয় বিকল্প নেই আমাদের সামনে। এজন্য আমাদেরকে জ্ঞানে বিজ্ঞানে প্রযুক্তিতে মেধায় নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন।”
‘‘বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ অমর একুশে বইমেলা। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলা অমর আন্তর্জাতিক বইমেলা হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ রয়েছে, কিনা সেটি আমি আপনাদের সকলকে ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব।”
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, আন্তর্জাতিক হলে বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি বহু ভাষা ও সংস্কৃতি শেখা-জানা এবং বোঝার দিকে নাগরিকদের আগ্রহ বাড়বে।
“বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে এই সময় মাতৃভাষা ছাড়াও আরো একাধিক ভাষার সঙ্গে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সমৃদ্ধি এবং সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান এবং মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার মনে হয় বিকল্প নেই আমাদের সামনে। এজন্য আমাদেরকে জ্ঞানে বিজ্ঞানে প্রযুক্তিতে মেধায় নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, ‘‘একই সঙ্গে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃত আদায়ের জন্য আমাদের মনে হয় কাজ শুরু করা প্রয়োজন।”
You cannot copy content of this page